Learning Namaj in a proper way

Posted by imomins on December 22, 2012 at 6:00 AM

আল্লাহ কে স্বরণ কর যে ভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে যা তোমরা ইতি পূর্বে জানতে না (বাক্বারাঃ আয়াত ২৩৯;)

আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর নির্দেশ মান্য কর রাসুলের (ইমরানঃ আয়াত ৩২, ১৩২; নিসাঃ আয়াত ৫৯; আনফালঃ আয়াত ১, ২০, ৪৬; নূরঃ আয়াত ৫৪, ৫৬; মুজাদালাহঃ আয়াত ১৩; আত-তাগাবুনঃ আয়াত ১২;)

হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসুলের অনুসরণ কর, আর নিজেদের আমল বিনষ্ট কর না (মুহাম্মাদঃ আয়াত ৩৩;)

রাসুল(সঃ;)বলেছেন-জীব্রাইল (আঃ;) কা’বা ঘরের কাছে এসে আমাকে নিয়ে দু-দু বার পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের ইমামতি করে নামাযের সময় ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন (আবু দাউদ, মেশকাত ৫৯ পৃঃ;)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
... صلوا كما رأيتموني أصلي.
তোমরা নামায ও ভাবেই পড়বে যেভাবে আমাকে পড়তে দেখেছ (বুখারি, কিতাবুল আযান: ৬৩১; মেশকাত আরবী ৬৬ পৃঃ; বাংলা আরাফাত পাঃ ২য় খন্ড কিতাবুস সলাহ ৫৮ পৃঃ হাঃ নং ৬৬২; মেশকাত ২য় খন্ড হাঃ ৬৩২;)

ইবাদত কর সে ভাবে যে ভাবে আমাকে ইবাদত করতে দেখেছ (সহীহ বুখারী ১ম খন্ড বুক অফ আযান ১৮ অধ্যায় হাঃ নং ৬০৪;)

মহিলা পুরুষের নামায একই (বুখারী মিশরী ছাপা ১ম খন্ড ১৪৯ পৃঃ; আল মুগনী ১ম খন্ড ৫৫ পৃঃ;)

পার্থক্য শুধু পোষাকে-মহিলারা কাপড় দ্বারা পায়ের গিরা ঢেকে নিবে (আবু দাউদ ১ম খন্ড ৯৪ পৃঃ;)
কেবলা/দাঁড়ান

আর যে স্থান থেকে তুমি বের হও নিজের মুখ মসজিদে হারামের দিকে ফেরাও (বাক্বারাঃ আয়াত ১৪৯;)

এখন আপনি মসজিদুল হারামের দিকে মুখ করুন এবং তোমরা যেখানেই থাক সে দিকে মুখ কর (বাক্বারাঃ আয়াত ১৪৫;)
﴿وَقُومُواْ لِلَّهِ قَٰنِتِينَ ٢٣٨﴾[البقرة:238 ]
আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও (বাক্বারাঃ আয়াত ২৩৮;)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
«إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة...».
“যখন তুমি সালাতের জন্য দণ্ডায়মান হও, পরিপূর্ণরূপে অযু কর অতঃপর কিবলা মুখী হও...(বুখারি: ৭৯৩; মুসলিম: ৩৯৭;)

সুতরা

সালাত আদায়কারী ইমাম বা মুনফারেদ যেই হোক, সামনে সুতরা রেখে দাঁড়াবে । সুবরা ইব্‌ন মা‍‘বাদ জুহানি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«ليستترْ أحدُكم في الصلاة ولو بسهمٍ»
“তীর বা বর্শা দিয়ে হলেও তোমাদের প্রত্যেকে যেন সালাতে সুতরা কায়েম করে” হাকেম: (১/২৫২;), তাবরানি ফিল কাবির: (৭/১১৪;), হাদিস নং: (৬৫৩৯;), আহমদ: (৩/৪০৪;), “মাজমাউজ জাওয়াদে” লিল হায়সামি: (২/৫৮;)

আবু জর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«إذا قام أحدُكم يصلي فإنه يستره إذا كان بين يديه مثل مؤخرة الرَّحل،فإذا لم يكن بين يديه مثل مؤخرة الرحل فإنه يقطع صلاته: الحمار، والمرأة، والكلب الأسود».
“যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায়ের জন্য দণ্ডায়মান হয়, তখন তার সামনে উটের উপর আরোহী ব্যক্তির হেলান দেয়ার জন্য পিছনে রাখা ঠিকার ন্যায় কোন কিছু সুতরা হিসেবে রাখাই যথেষ্ট, কারণ যদি অনুরূপ ঠিকা না থাকে, তাহলে তার সালাত গাধা, নারী ও কালো কুকুর ভঙ্গ করে দিতে পারে” মুসলিম: (৫১০;)



তোমরা কাতার সোজা কর । মধ্য খানে ফাক বন্ধ কর (আবু দাউদ ৯৭ পৃঃ; মুসতাদরাকে হাকিম ১ম খন্ড ২২৩ পৃঃ;)

আনাস (রাঃ;) এর স্বাক্ষ্য- প্রত্যেকে তার সাথীর কাঁধের সাথে কাঁধ এবং পায়ের সাথে পা মিলিয়ে দাঁড়াতেন (বুখারী ১ম খন্ড ১০০ পৃঃ; মুসলিম ১৮২ পৃঃ; তিরমিযী ৩১ পৃঃ; নাসাঈ ইবনু মাযাহ ৭১ পৃঃ; মেশকাত ৯৮ পৃঃ; বাংলা বুখারী আঃ প্রঃ ৩১৬ পৃঃ; মেশকাত আরাফাত প্রঃ ২য় খন্ড ২১১ পৃঃ;)

কাঁধের সাথে কাঁধ পায়ের সাথে পা মিলানোর আরও দলিল দেখুন (মেশকাত ৩য় খন্ড হাঃ ১০১৭, ১০১৮, ১০২০, ১০২৫, ১০৩৩, ১০৩৪ বাংলা অনুবাদঃ মাওলানা নুর মোহাম্মাদ আযমী এমদাদিয়া লাইব্রেরি-চক বাজার ঢাকা; মেশকাত মাদ্রাসার পাঠ্য ২য় খিন্ড হাঃ ১০১৭ হতে ১০৩৪ পর্যন্ত; বাংলা অনুবাদ বুখারী মাওলানা আজিজুল হক ১ম খন্ড হাঃ ৪২৭; সহীহ আল বোখারী আঃ প্রঃ ১ম খন্ড হাঃ ৬৮১; সহীহুল বুখারী তাওঃ পাঃ ১ম খন্ড হাঃ ৭২৬;

বুখারী শরীফ ইঃ ফাঃ ২য় খন্ড হাঃ ৬৮২, ৬৮৭; মুসলিম শরীফ ইঃ ফাঃ ২য় খন্ড হাঃ ৮৫১; আবু দাউদ শরীফ ইঃ ফাঃ ১ম খন্ড হাঃ ৬৬২, ৬৬৬, ৬৬৭; তিরমিযী শরীফ ইঃ ফাঃ ১ম খন্ড হাঃ ২২৭; জামে তিরমিযী মাওলানা আব্দুন নুর সালাফী ১ম খন্ড হাঃ ২১১;)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «إذا قمت إلى الصلاة فكبر“যখন তুমি সালাতের জন্য দাঁড়াও, তাকবির বল” বুখারি: (৭৯৩;), মুসলিম: (৩৯৭;)

ইব্‌ন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত:
«كان رسول الله ﷺ إذا قام للصلاة رفع يديه حتى تكونا حذو منكبيه، ثم كبر»
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতেন, উভয় হাত কান পর্যন্ত উঠাতেন অতঃপর তাকবির বলতেন” মুসলিম: (৩৯০;)

আবু হুমাইদ সায়েদি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত:
«كان رسول الله ﷺ إذا قام إلى الصلاة يرفع يديه حتى يُحاذيَ بهما منكبيه ثم يُكبِّر»
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতে দাঁড়াতেন, তখন তিনি উভয় হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন, অতঃপর তাকবির বলতেন” বুখারি: (৭৩৭;), মুসলিম: (৩৯১;)

কেবলার দিকে মুখ করতেন এবং দুই হাত ওঠাতেন এবং বলতেন আল্লাহু আকবার (বুখারী, মুসলিম, মেশকাত ৬৭ পৃঃ;)

আল্লাহু আকবার ছাড়া অন্য কিছু দ্বারা নামায শুরু করলে তার নামায হবে না (তিরমিযী ১ম খন্ড ৩৩ পৃঃ;)

জানাতে পারেনঃ-

;) কাধের সাথে কাধ, পায়ের সাথে পা না মিলিয়ে ফাঁক ফাঁক হয়ে দাড়ানো এর কুরআন ও সহিহ হাদিসের পূর্ণাঙ্গ দলিল জানাবেন ।
১০;)দাড়ানোর পর নামাযের শুরুতে ইন্নি ওয়াজ্‌জাহাতু………… এবং নাওয়াইতুআন (নিয়ত;) পড়তে হবে এর কুরআন ও সহিহ হাদিসের পূর্ণাঙ্গ দলিল জানাবেন ।

Categories: Public

Post a Comment

Oops!

Oops, you forgot something.

Oops!

The words you entered did not match the given text. Please try again.

You must be a member to comment on this page. Sign In or Register

0 Comments