Keep Your Refgerator Save.....
|
|
২৫০ টাকায় আপনার ফ্রিজ কে নিরাপদ রাখুন এবং ফ্রিজ সম্পর্কে কিছু টিপ্স
আপনি টিভিতে খবর দেখে বন্ধ করেছেন একটু পরে চালাতে গিয়ে দেখছেন আর চলছেনা তাহলে নষ্ট হল কখন বা কিভাবে। Elec. Equipment গুলো যে কারণে নষ্ট হয় তার অন্যতম কারণ হল ১. অভার ভোল্টেজ ২. অভার কারেন্ট।
অভার কারেন্ট যে কারনে সুষ্টি হয় তা হল- অভার লোডে চালনা করা, দীর্ঘক্ষন চালনা করা যা আপনি নিজেই নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারেন।
অভার ভোল্টেজ যে কারনে সৃষ্টি হয় তা হল- বর্জ্জপাত, ফ্লাশিং, নিউট্রাল/ফেজ ফল্ট ইত্যাদী।
বর্জ্জপাত নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই তবে বর্জ্জপাত হওয়া শুরু হলে আপনার বাড়ীর মেইন কাটআউট বা মেইন সুইচ বন্ধ করে রাখুন টিভির এন্টেনা জ্যাক খুলে রাখুন খোলার সময় অবশ্যই সাবধানে খুলবেন যেই মাত্র বিদ্যুৎ চমকেছে ঐ মুহুর্তে হাত দিবেননা। বর্জ্জপাতে যে ভোল্টেজ তৈরী হয় তাতে তার না ধরলেও ১-২ ইঞ্চির ব্যবধানে তার থাকলে শক খাবেন। জীবন আগে।
নিউট্রাল ফল্ট: যদি আপনার এলাকার ট্রান্সফরমারের একটি ফিউজ কেটে যায় বা ট্রান্সফরমার হতে নিউট্রাল তার কেটে যায় তাহলে এক লাইনে ভোল্টেজ বেশী হয় অন্যটিতে কম হয়।
ফ্লাশিং: অধিকাংশ যন্ত্রপাতি নষ্ট হয় এ কারনেই। আপনি খেয়াল করে দেখবেন অধিকাংশ সময় সুইচ অন করার মুহুর্তে বাল্ব কেটে যায়। এর কারন হল যখন আমরা সুইচ অন বা অফ করি তখন কন্টাক পাওয়ার কারনে সেখানে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ (ফ্লাশিং
হয় এই সময় কয়েকটি ওয়েভ অ-সাভাবিক ভাবে বেড়ে যায় এমন কি ফ্রিকোয়েন্সির ও তারতম্য দেখাদেয় (সুইচিং ইফেক্ট
ফলে অভার ভোল্টেজ জনিত কারনে Elec. Equipment গুলো পুড়ে যায়। এই জন্য অবশ্যই ভাল মানের সুইচ ব্যবহার করবেন। সকেট ও প্লাগের সংযোগ যেন টাইট ফিটিং হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন সুইচ অন করার সময় আদর করে নয় বরং ধাপাস করে অন করবেন যদি কখন কোন সুইচ গরম হতে দেখেন সাথে সাথে বদলিয়ে ফেলুন। ফিলামেন্ট বাল্ব গুলো থেকে অনেক তাপ উৎপন্ন হয় তাই হোল্ডারের স্পীং দ্রুত নষ্ট হয় ফলে ঘনঘন বাল্ব কাটে । এক কথায় ইলেকট্রিক্যাল সিষ্টেমে লুজ বলে কোন শব্দ রাখা যাবে না........না।
শিরোনামের কথায় আসি।
তার আগে সিরিজ ল্যাম্প সম্পর্কে একটু ধারনা দেই, একটা প্লাগ ও একটা সকেট তারের দুই দিকে লাগান একটা তার কেটে সেখানে ফিলামেন্ট বাল্ব হোল্ডার লাগিয়ে ১০০/২০০ ওয়াটের্ বাল্ব লাগালেই সিরিজ ল্যাম্প তৈরী হয়েগেল।
সুইচিং ইফেক্টে এর কথা আগেই বলেছি যা অধিকাংশ নষ্টের গোরা। আপনার বাসার সুইচ নয় সাবষ্টেশনের সুইচ/ব্রেকার যখন অন করে তখন বা ঝড়ের সময় অভার হেড লাইনে তারে তারে সংঘর্ষে সুইচিং ইফেক্ট ঘটে।
ফ্রিজের মধ্যে ইন্ডাকশন মোটর থাকে (কমপ্রেশার
যা ষ্টাটিং অবস্থায় ৫-৭ গুন বেশী কারেন্ট গ্রহন করে। এছাড়া রেফ্রিজারেন্ট হিসাবে যে গ্যাস ব্যবহার করি সে গ্যাসের নিয়ম হল একবার চালালে কিছুক্ষন বিরতির পর চালাতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় কারেন্ট আসা যাওয়া নিয়ম মানে না। তাই যদি কারেন্ট আসার একটু পর আপনার ফ্রিজ চালু হয় বা কারন্টে আপ ডাউন করছে এই অবস্থায় চালু না হয় তবে আপনার ফ্রিজ অনেকটা নিরাপদ। আমি যাষ্ট এই সার্কিটাই দেখাব যা আপনিও তৈরী করতে পারবেন।
যা যা লাগবে ১. টাইমার সুইচ বেজ সহ- ১টি । ২. প্লাগ-১টি। ৩. সকেট-১টি। ৪. তার- প্রয়োজন মত। ৫. একটা বোর্ড।
ডায়াগ্রাম অনুযায়ী সংযোগ করেনিন। সামান্য লোড দিয়ে সিরিজ ল্যাম্পের সাহায্যে টেষ্ট করে নিন সংযোগ ঠিক আছে কি না। যদি বাল্ব ফুল জ্বলে ওঠে এবং লোড না চলে তাহলে বুঝবেন কোথাও ভুল আছে ঠিক করে সংযোগ দিন। টাইমার সুইচ ০-৬০ সেকেন্ড বা ০-৬০ মিনিট বা ০-৯৯৯ মিনিট ইত্যাদী সাইজের পাওয়া যায় আপনি যতক্ষন পর চালু করতে চান ততক্ষণ সময়েরটা কিনুন। (সাধারণত ফ্রিজ বন্ধ করলে কমপক্ষে ৫ মিনিট পর চালু করতে হয় )
(যাদের ভোল্টেজ ষ্ট্যাবিলাইজার আছে তাদের এই সার্কিট দরকার নেই।![]()
ফ্রিজ কে ভাল রাখার কয়েকটি টিপ্স।
সামনে কোরবানীর ঈদ অনেকেই এমন ভাবে মাংশ রাখে শেষে দড়ি দিয়ে দড়জা বন্ধ করতে হয়। এটা থেকে বিরত থাকুন।
১। আপনার ফ্রিজ যদি নন ফ্রষ্ট ( যে ফ্রিজ গুলোর ডিপ চেশ্বারের ভিতরের পিছন সাইড হতে বাতাস প্রবাহিত হয়
হয় তবে কোন কিছু রাখার সময় পিছন সাইড হতে ১-২ ইঞ্চি উপরে ১ ইঞ্চি গ্যপ রাখবেন যাতে সহজে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। কখনোই ফ্রিজে চাপাচাপি করে কিছু রাখবেননা কারন ঠান্ডা হলে বস্থুর আয়তন বেড়ে যায়।
২। মাছ/মাংসের প্যাকেট করার সময় কম করে তুলে বড় সাইজের প্যাকেট করুন পারলে আগুনে পুড়ে প্যাকেট করুন (ময়দার প্যাকেট যে ভাবে করা থাকে
তাতে ফ্রিজে অনেক বেশী প্যাকেট ধরবে। ধারাল কিছু দিয়ে কখনোই প্যাকেট তুলবেননা।
৩। খেয়াল করবেন ফ্রিজের দুই সাইডে গরম হয় এই গরম যদি সহজেই ঠান্ডা হয় তবে বিদ্যুৎ খরচ কম হবে তাই ফ্রিজকে খোলামেলা স্থানে রাখুন বিশেষ করে দুই সাইড যেন খোলা স্থানে থাকে।
৪। ঘন ঘন ফ্রিজ খুলবেননা এবং বেশীক্ষন খুলে রাখবেননা তাহলে বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম হবে এবং আয়ু বেড়ে যাবে।
৫। নিয়মিত পরিষ্কার করুন (মাসে অন্তত একবার ) লেবু দিয়ে পরিষ্কার করলে ভাল পরিষ্কার হয়। পরিষ্কার করার সময় অবশ্যই প্লাগ খুলে নিন।
৬। সম্ভব হলে ফ্রিজকে আর্থিং করুন।
৭। পরিবহনের প্রয়োজনে কাতকরানোর দরকার হলে যে সাইডে কমপ্রেসার সেই দিকে কাত করুন।
৮। ফ্রিজের নীচে এবং কমপ্রেসারের পাশে ইদুরের বাসবাসের সুরক্ষিত স্থান তাই মাঝে মাঝে খেয়াল করুন।
* নতুন ফ্রিজ কিনতে চাইলে ইনটারনাল পাইপ গুলো কপারের কি-না নিশ্চিত হয়ে কিনুন এবং কমপ্রেসারটা ভাল কম্পানির হয় সেদিকে খেয়াল রেখে কিনুন। আপনার এলাকায় ঘণ ঘণ কারেন্ট গেলে বা কারেন্ট গিয়ে অনেক্ষন না আসলে ফ্রষ্ট ফ্রিজ কিনুন নইলে নন-ফ্রষ্ট কিনুন।
* ফ্রিজ সব সময় চলেনা ভিতরে প্রয়োজনীয় ঠান্ডা হলে বন্ধ হয়ে যায়, চলার সময় একটু শব্দ করে এবং দুই সাইড কভার গরম হয় তাই অনেকেই মনে করে ফ্রিজে বোধ হয় প্রবলেম হয়েছে না এটাই নিয়ম। যদি বেশী শব্দ করে তবে ফ্রিজ কে একটু নাড়িয়ে দেখুন প্রয়োজনে পায়ের নীচে কাগজের টুকরা দিয়ে টাকটিক ঠিক করুন শব্দ কমে যাবে।
** বিদ্যুৎ কে ভয় পাবেননা সাবধানে নিরাপদে কাজ করুন (বিশেষ করে খালি পায়ে কাজ করবেননা........না......না
নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রাখুন মনে রাখবেন জীবন আগে **
অনেক উপদেশ দিলাম গাল দিলে মনেমনে দিবেন কমেন্টে দিয়েন না আমার বানানে প্রচুর ভুল হয় মিলিয়ে নিবেন প্লিজ।
Categories: Lifestyle, Others, Help
Post a Comment
Oops!
The words you entered did not match the given text. Please try again.




Oops!
Oops, you forgot something.